Tuesday, January 2, 2018

প্লাজা-পিয়াজ্জা'র দেশে; পর্ব-৫ (বার্সেলোনা)



বার্সেলোনাতে এসে মনে হলো এটা অনেক ক্ষেত্রে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের থেকেও উন্নত। আমরা ছিলাম প্লাজা কাতালুনিয়ার খুব কাছে। হোটেলটার নাম পেনশন এরিস। প্লাজা কাতালুনিয়াকে বার্সেলোনার একটা কেন্দ্র বিন্দু বলা যায়। এখান থেকে মেট্রো রেল এবং বাসের রুট খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। বার্সেলোনাতে আমাদের সময়টা একটু কম বরাদ্দ থাকাতে বার্সেলোনার সমুদ্র সৈকত, মঞ্জুইক কাসল, গোথিক কোয়ার্টার, আর্ক্ দে ট্রিওমফ এই কয়েকটা জায়গা ঘুরেই আমরা রোম, ইতালির পথে রওনা দেই। মঞ্জুইক কাসলের উপর থেকে ভুমধ্য সাগরের তীরবর্তী বার্সেলোনার সমুদ্র বন্দরটা পাখির দৃষ্টিতে দেখে নেয়া যায়। মঞ্জুইক কাসলটাই একটা উঁচু পাহাড়ের উপর। এখন থেকে ক্যাবল কার ব্যবহার করে পাহাড়টার পাদদেশে চলে যাওয়া যায়। প্রায় ৬-৮ মিনিটের ক্যাবল কার রাইডে জন প্রতি খরচ পড়েছিল ৬ ইউরো। বার্সেলোনাতে মোটামুটি সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ পাওয়া যাবে বলে মনে হয়েছে।

সমুদ্র সৈকতে এক ফেরিওয়ালা জোর করেই নারকেলের শাস খাওয়ালো। তার শারীরিক গড়ন আর চামড়ার রং দেখে জানতে চাইলাম কোথা থেকে এসেছে? জানালো সে পাকিস্তানের। একটা নারকেলের শাসের ৫ ভাগের ২ ভাগ খাইয়ে সে দাম ধার্য করলো ৩ ইউরো, মানে প্রায় ৩০০ টাকা।










Montjuic Castle

Montjuic Castle



Gothic Quarter

Arc de Triomf


                                                                                [চলবে]... ..


Related Post





Translate